হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ৯৫০

Aug 26, 2026 - 22:56
 0  10
হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৭ শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ৯৫০

দেশে হাম ও হামের উপসর্গের প্রকোপ কমছেই না।

গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৭১ শিশু।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ শিশুর মৃত্যু হলেও নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৮৫১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৯ শিশু। সব মিলিয়ে হামের উপসর্গ ও হাম—দুইয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫০।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৭৩ শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৯৮ শিশু। এ সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৯ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৯৫৪ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৩৬। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৮ হাজার ৬৫১।

এ সময়ে মোট ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭৩ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৬৫ জন চিকিৎসা শেষে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হামের সংক্রমণ রোধে শিশুদের নির্ধারিত টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র :স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

লাইফ স্টাইল Vision: বাংলা ভাষায় স্বাস্থ্যকর জীবন, মানসিক সুস্থতা, পরিবার, কর্মজীবন, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং জীবনমান সম্পর্কিত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী Human Development Platform হওয়া; যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের জীবনমান উন্নয়নের একটি প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ভ্রমণ, পরিবার, ক্যারিয়ার, ফ্যাশন, খাদ্য, মানসিক সুস্থতা এবং জীবনদক্ষতা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশেষজ্ঞ মতামত, গবেষণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এমন কনটেন্ট তৈরি করা, যা মানুষকে আরও সচেতন, সুস্থ, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে।