শীতে চুলকানি থেকে প্রতিকারের উপায়

Jan 6, 2026 - 22:42
Jul 9, 2026 - 05:43
 0  34
শীতে চুলকানি থেকে প্রতিকারের উপায়

বিনা ডেস্ক 

শীতকালে বাতাসে আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় চারপাশের শুষ্ক বাতাস আমাদের ত্বক থেকে দ্রুত পানি শুষে নেয়। এর ফলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা হারিয়ে যায় এবং সুরক্ষার স্তরটি দুর্বল হয়ে পড়ে।

এই অতিরিক্ত শুষ্কতা থেকেই মূলত ত্বক ফাটা বা চুলকানির মতো সমস্যার সূত্রপাত ঘটে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে চুলকানি বাড়ার পেছনে আমাদের কিছু দৈনন্দিন অভ্যাসও দায়ী। যেমন—কনকনে ঠান্ডায় গরম পানিতে গোসল করা সাময়িকভাবে আরামদায়ক মনে হলেও, এটি ত্বকের প্রাকৃতিক তেল ধুয়ে ফেলে ত্বককে আরও রুক্ষ করে তোলে।

উলের বা সিনথেটিক পোশাকের রুক্ষ তন্তু সংবেদনশীল ত্বকে ঘর্ষণ তৈরি করে চুলকানি সৃষ্টি করতে পারে। শীতকালীন এই শুষ্কতার সুযোগে একজিমা, সোরিয়াসিস বা খোসপাঁচড়ার মতো চর্মরোগের প্রকোপও এই সময়ে অনেক বেড়ে যায়। এই অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন আনা জরুরি।

শরীরকে ভেতর থেকে আর্দ্র রাখতে শীতকালেও প্রচুর পরিমাণে পানি ও তরল খাবার পান করতে হবে। গোসলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম পানির বদলে হালকা কুসুম গরম পানি ব্যবহার করা এবং সময় ৫-১০ মিনিটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা ভালো।

সাবান ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুগন্ধিমুক্ত ও মৃদু সাবান বেছে নেওয়া জরুরি। গোসলের পর ত্বক পুরোপুরি শুকানোর আগেই যখন সামান্য ভেজা থাকে, তখনই ঘন ও তেল-ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম, গ্লিসারিন বা পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা উচিত যা ত্বকের আর্দ্রতা দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখতে সক্ষম।

পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রেও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সরাসরি উলের পোশাক না পরে তার নিচে সুতির নরম কাপড় পরা ত্বকের জন্য নিরাপদ। এছাড়া রোদে বের হওয়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিত যাতে ত্বক রুক্ষ না হয়।

খুব বেশি চুলকানি হলে আক্রান্ত স্থানে ঠান্ডা ভেজা তোয়ালে বা বরফের প্যাক ব্যবহার করে সাময়িক উপশম পাওয়া যেতে পারে। তবে ঘরোয়া উপায়ে সমস্যার সমাধান না হলে বা সংক্রমণ বেশি মনে হলে দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

লাইফ স্টাইল Vision: বাংলা ভাষায় স্বাস্থ্যকর জীবন, মানসিক সুস্থতা, পরিবার, কর্মজীবন, ব্যক্তিগত উন্নয়ন এবং জীবনমান সম্পর্কিত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী Human Development Platform হওয়া; যা ব্যক্তি, পরিবার এবং সমাজের জীবনমান উন্নয়নের একটি প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। Mission: স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ভ্রমণ, পরিবার, ক্যারিয়ার, ফ্যাশন, খাদ্য, মানসিক সুস্থতা এবং জীবনদক্ষতা সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক তথ্য, বিশেষজ্ঞ মতামত, গবেষণা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে এমন কনটেন্ট তৈরি করা, যা মানুষকে আরও সচেতন, সুস্থ, দক্ষ এবং দায়িত্বশীল জীবনযাপনে অনুপ্রাণিত করে।