রিফাত চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়ালেন জায়েদ খান

Sep 24, 2026 - 16:15
 0  3
রিফাত চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়ালেন জায়েদ খান

শারীরিক অসুস্থতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন কবি ও অভিনেতা রিফাত চৌধুরী। দীর্ঘদিন ধরে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন তিনি। গত এক সপ্তাহ ধরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই শিল্পী আর্থিক সংকটের কথা জানিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে তার পাশে দাঁড়িয়েছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। রিফাত চৌধুরীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন তিনি।

শিল্পীর বিপদে শিল্পীর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে জায়েদ খান বলেন, ‘একজন শিল্পীর পাশে আমি সবসময় থাকার চেষ্টা করি। যতটা পারি, আমার সামর্থ্য অনুযায়ী শিল্পীর বিপদে পাশে দাঁড়াই। আমি চাই, প্রত্যেক শিল্পী যদি নিজেদের জায়গা থেকে বিপদগ্রস্ত শিল্পীদের পাশে দাঁড়ান, তাহলে কোনো শিল্পীকেই আর্থিক কষ্টে হাসপাতালের বিছানায় কাতরাতে হবে না।’

রিফাত চৌধুরীর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তাঁর চিকিৎসা ও আর্থিক সংকট নিয়ে আলোচনা চলছে। জীবনের দীর্ঘ সময় কবিতা ও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত থাকা এই শিল্পীর বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে জায়েদ খানের আর্থিক সহায়তা তার চিকিৎসার ব্যয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিল্পীদের সংকটে একে অন্যের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন জায়েদ খান। তার মতে, শিল্পীসমাজ নিজেদের জায়গা থেকে এগিয়ে এলে অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত কোনো শিল্পীকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়তে হবে না।

উল্লেখ্য, জায়েদ খান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে স্টেজ শো-এর পাশাপাশি নতুন একটি সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। 'ভায়োলেন্স' নামে একটি সিনেমার শুটিং শিগগিরই শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন এ অভিনেতা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।