বাংলাদেশে শুটিং করতে তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নোরা ফাতেহি

Jul 27, 2026 - 18:56
Sep 4, 2026 - 02:19
 0  15
বাংলাদেশে শুটিং করতে তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নোরা ফাতেহি

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন। ‘ বাংলাদেশের সুন্দরবনে একটি সিনেমার শুটিং করতে এসে এক সহ-অভিনেতার সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় জড়িয়ে পড়েছিলেন ’ 

সম্প্রতি কপিল শর্মার অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন নোরা। তিনি জানান, ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘রোর: টাইগার্স অব দ্য সুন্দরবনস’ সিনেমার শুটিং চলাকালেই এ ঘটনা ঘটে। ছবিটির উল্লেখযোগ্য অংশের শুটিং হয়েছিল বাংলাদেশের সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যে।

নোরার ভাষ্য, শুটিংয়ের সময় এক সহ-অভিনেতা তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি প্রথমে ওই অভিনেতাকে চড় মারেন।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে নোরা বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সুন্দরবনের জঙ্গলে শুটিং করছিলাম। সেখানে এক সহ-অভিনেতা খুবই অসভ্য ব্যবহার করছিল। তাই আমি ওকে চড় মেরেছিলাম।”

এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নোরার দাবি, পাল্টা ওই অভিনেতাও তাকে চড় মারেন এবং চুল টেনে ধরেন। জবাবে তিনিও ওই অভিনেতার চুল ধরে টান দেন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে পরিচালক এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

ঘটনাটি স্মরণ করে নোরা বলেন, আমি আরও একবার ওকে চড় মারি। তারপর ও আমার চুল টানে। আমিও ওর চুল টেনে ধরি। এরপর বড় ঝগড়া বেঁধে যায়। শেষ পর্যন্ত পরিচালক এসে আমাদের থামান।

আলোচনার একপর্যায়ে উপস্থাপক কপিল শর্মা বিষয়টি নিয়ে রসিকতা করলে নোরা বলেন, সত্যি বলছি, লোকটার আচরণ একেবারে কুকুরের মতো ছিল।”

তবে পুরো ঘটনার বর্ণনা দিলেও সেই সহ-অভিনেতার নাম প্রকাশ করেননি নোরা ফাতেহি।

উল্লেখ্য, ‘রোর: টাইগার্স অব দ্য সুন্দরবনস’ ২০১৪ সালের একটি অ্যাডভেঞ্চার থ্রিলার চলচ্চিত্র। কমল সদানা পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তি পায় ওই বছরের ৩১ অক্টোবর। এতে নোরা ফাতেহির পাশাপাশি অভিনয় করেছেন অভিনব শুক্ল, হিমর্শা বেঙ্কটসামী, অচিন্ত কৌর ও সুব্রত দত্ত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।