দেশের বিজ্ঞাপনী বাজার ও ডিজিটাল বিপণনে নতুন এআইভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম অ্যাডজোইক আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্ল্যাটফর্মটি প্রোগ্রাম্যাটিক পদ্ধতিতে বিজ্ঞাপন কেনার সুবিধা দেবে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচারের প্রক্রিয়া আরও সহজ ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর বনানীস্থ একটি হোটেলে প্ল্যাটফর্মটির আনুষ্ঠানিক যাত্রার ঘোষণা করা হয়। একই সাথে সেলস ইন্টেলিজেন্স ও ডিজিটাল মার্কেটিংকে একসূত্রে বাঁধতে ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম ‘আম্ব্রেলাএক্স’ এর সমন্বিত ইকোসিস্টেম উপস্থাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অ্যাডজোইকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্ত চ্যাটার্জী।
তিনি বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে অনুমানের ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন পরিচালনা করতে গিয়ে উদ্যোক্তা ও ব্র্যান্ডগুলোর অনেক সময় ও অর্থ ব্যয় হয়। অ্যাডজোইক ডেটা ও সেলস ইন্টেলিজেন্সের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে। এর মাধ্যমে সঠিক ডেটা ব্যবহার করে কম খরচে কাঙ্ক্ষিত ক্রেতাদের কাছে পৌঁছাতে ব্র্যান্ডগুলোকে সহায়তা করা হবে।
অ্যাডজোইকের প্রযুক্তিগত কৌশল ও কার্যক্রম উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ টেকনোলজি অফিসার টিপু আরবিদ। তিনি জানান, অ্যাডজোইক কোনো সাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া এড ম্যানেজমেন্ট টুল নয়; এটি একটি ডিমান্ড-সাইড প্ল্যাটফর্ম (ডিএসপি)।
কোনো থার্ড-পার্টি কুকির ওপর নির্ভর না করে অ্যাডজোইক ১০ মিলিসেকেন্ডেরও কম সময়ে বিজ্ঞাপন দেখানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এরপর ১০০ মিলিসেকেন্ডের ডিজিটাল নিলামের মাধ্যমে কম খরচে সঠিক বিজ্ঞাপন নিশ্চিত করে।
ইভেন্টের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে প্ল্যাটফর্মটির অফিশিয়াল কাউন্টডাউন ও উন্মোচন করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জয়ন্ত চ্যাটার্জী, ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে. এম. আমিনুর রহমান এবং চিফ টেকনোলজি অফিসার টিপু আরবিদ। অনুষ্ঠানের শেষাংশে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে. এম. আমিনুর রহমান। তিনি বিজ্ঞাপনী সংস্থা, পাবলিশার এবং ব্র্যান্ডগুলোকে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর নতুন ইকোসিস্টেম যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডিসেলসের অধীনে অ্যাডজোইক ও আম্ব্রেলাএক্স যৌথভাবে ডিজিটাল প্রোগ্রামেটিক বিজ্ঞাপন, ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং ও সেলস অটোমেশনকে একটি স্মার্ট ড্যাশবোর্ডে এনেছে। এর মাধ্যমে এশিয়াজুড়ে ডিজিটাল ব্যবসার প্রচলিত পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার লক্ষ্য রয়েছে।
বাংলাদেশ
ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।