ফেলনা মাটিতেই নতুন সৃষ্টি, কুমিল্লায় বাড়ছে নান্দনিক পণ্যের চাহিদা
মাটির তৈরি পণ্য বানানোর সময় যে মাটির টুকরা ও অব্যবহৃত অংশ পড়ে থাকে, তা অনেক সময় বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া হয়। তবে সেই বর্জ্যকে কাজে লাগিয়ে নতুন ধরনের সাজসজ্জার সামগ্রী তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছেন কুমিল্লার কিছু কারিগর ও উদ্যোক্তা।
মাটির অব্যবহৃত অংশ সংগ্রহ করে প্রথমে তা শুকানো ও পরিশোধন করা হয়। পরে প্রয়োজন অনুযায়ী আবার মাটির সঙ্গে মিশিয়ে বিভিন্ন আকৃতি দেওয়া হয়। ছোট ছোট শোপিস, ফুলদানি, টব, দেয়ালসজ্জা ও অন্যান্য পণ্য তৈরি করা যায় এসব উপকরণ দিয়ে।হাতে তৈরি এসব পণ্যে কারিগরের সৃজনশীলতার ছাপ থাকে। ফলে ঘর সাজানোর পাশাপাশি উপহার হিসেবেও এসব পণ্যের চাহিদা তৈরি হচ্ছে।এই উদ্যোগের বড় সুবিধা হলো মাটির অপচয় কমানোর পাশাপাশি একই কাঁচামাল থেকে নতুন পণ্য তৈরি করা যায়। এতে উৎপাদন খরচ কমানোর সুযোগও থাকে।তবে আধুনিক নকশা, উন্নত মানের কাঁচামাল, প্রশিক্ষণ ও বাজারজাতকরণের সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
উদ্যোক্তারা মনে করছেন, অনলাইন বাজারে এসব পণ্য তুলে ধরতে পারলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্রেতাদের কাছে সহজেই পৌঁছানো সম্ভব।বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার এই উদ্যোগ কুমিল্লার মৃৎশিল্পে নতুন সৃজনশীলতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্ভাবনাও তৈরি করছে।
What's Your Reaction?