ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে কাজ হারাচ্ছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন

Sep 11, 2026 - 23:00
 0  6
ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে কাজ হারাচ্ছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন

ফিলিস্তিন ইস্যুতে জনমতের পরিবর্তন হলেও নিজের  পেশাগতভাবে ক্ষতির মুখে পড়ছেন বলে দাবি করেছেন অস্কারজয়ী অভিনেত্রী সুসান সারান্ডন। তার অভিযোগ, গাজা যুদ্ধের সময় ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে সরব হওয়ার পর হলিউডের একটি অংশে তাকে এড়িয়ে চলা হচ্ছে।
 
ইতালির ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে নিজের নতুন সিনেমা ‘দ্য ইকো চেম্বার’-এর প্রচারে গিয়ে এসব কথা বলেন ৭৯ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ও দেশটির দেওয়া সহায়তা নিয়ে মানুষের মধ্যে আগের তুলনায় বেশি সচেতনতা তৈরি হয়েছে।

ফিলিস্তিনিদের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার কারণে এখনও পেশাগত কাজের অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করেছেন সারান্ডন। তার ভাষ্য, সাম্প্রতিক সময়েও কয়েকটি সিনেমার কাজ তার হাতছাড়া হয়েছে। এমনকি কিছু প্রতিভা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান প্রযোজকদের তাকে কাজে না নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
 
সারান্ডন আরও বলেন, বড় চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে ইসরায়েলবিরোধী অবস্থান প্রকাশ্যে তুলে ধরা শিল্পীদের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে এখনও বাধার মুখে পড়তে হয়। তবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছ থেকে পাওয়া সমর্থন ও ভালোবাসায় তিনি সন্তুষ্ট।
 
ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানের কারণে ২০২৩ সালে তার দীর্ঘদিনের প্রতিভা ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ইউটিএর সঙ্গেও সম্পর্ক ছিন্ন হয় সারান্ডনের। এদিকে এবারের ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবেও ফিলিস্তিন ইস্যু আলোচনায় রয়েছে। উৎসবে প্রদর্শিত কয়েকটি সিনেমায় ফিলিস্তিনিদের সংগ্রাম ও বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বিনোদন ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।