ঢাকায় তিন দিনব্যাপী চামড়া ও পাদুকা মেলা শুরু

Sep 26, 2026 - 13:56
 0  3
ঢাকায় তিন দিনব্যাপী চামড়া ও পাদুকা মেলা শুরু

গত ১০ বছরের ধারাবাহিকতায় আবারও রাজধানীর কুড়িলে আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় শুরু হয়েছে ‘বাংলাদেশ লেদার অ্যান্ড ফুটওয়্যার এক্সপো ২০২৬’ । 

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর)  প্রধান অতিথি এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান।

দেশি-বিদেশি ২৫০টির বেশি প্রতিষ্ঠান নিয়ে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী চামড়া ও পাদুকা মেলা শুরু হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে।

প্রধান অতিথি হিসেবে মেলার উদ্বোধন করেন বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান। বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ), লেদার ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস সোসাইটি, বাংলাদেশ (লেট’স বি) ও লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশনস প্রাইভেট লিমিটেড যৌথভাবে এ মেলার আয়োজক। 

বিটিএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মো. সাখাওয়াত উল্লাহর সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ।

অনুষ্ঠানে আয়োজকেরা জানান, বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি দেশে প্রায় ৫ হাজার ৫০০টি ক্ষুদ্র পাদুকা কারখানা রয়েছে। পাদুকা উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম বৃহত্তম দেশ এবং ভোক্তাবাজার হিসেবে নবম। বাংলাদেশ থেকে প্রক্রিয়াজাত চামড়ার পাশাপাশি প্রতিবছর জুতা, ভ্রমণব্যাগ, বেল্ট ও মানিব্যাগ রপ্তানি হচ্ছে। চামড়ার তৈরি বিভিন্ন শৌখিন পণ্যেরও চাহিদা রয়েছে বিভিন্ন দেশে। দেশের অনেক হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান এসব পণ্য বিশ্ববাজারে পাঠাচ্ছে।

আরও জানানো হয়, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে তৈরি পোশাকশিল্পের পরই চামড়াশিল্পের অবস্থান। বাংলাদেশের চামড়া প্রধানত ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, হংকং ও তাইওয়ানে রপ্তানি হয়। নতুন বাজারে প্রবেশ এবং বিদ্যমান বাজারে অবস্থান আরও শক্তিশালী করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে এ খাতের। দেশে প্রতিবছর আনুমানিক ২৭ কোটি বর্গফুট চামড়া উৎপাদিত হয়। এর বেশির ভাগ রপ্তানি করা হয়, বাকি অংশ দেশের চামড়াজাত পণ্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ন্যাশনাল ভিশন: বাংলাদেশের জাতীয় জনজীবন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি কার্যক্রম এবং নাগরিক বাস্তবতার সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, জবাবদিহিমূলক ও জনস্বার্থভিত্তিক সংবাদ ও জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক এবং গণমাধ্যমের জন্য জাতীয় ঘটনাপ্রবাহের প্রধান রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: রাজধানী, মন্ত্রণালয়, সংসদ, আদালত, নির্বাচন, জনসেবা এবং নাগরিক জীবনের প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি দ্রুত, নির্ভুল, প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ এবং ভারসাম্যপূর্ণভাবে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা রাষ্ট্রের কার্যক্রম, সরকারি সিদ্ধান্ত এবং সেগুলোর বাস্তব প্রভাব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পারেন।