গুম-খুনের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে ১৪তম সাক্ষীর জেরা

Sep 30, 2026 - 13:03
 0  4
গুম-খুনের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে ১৪তম সাক্ষীর জেরা
ছবি: সংগৃহীত
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া ১৪তম সাক্ষীর জেরা চলছে আজ।
 
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চে এ জেরা শুরু হয়।
 
জব্দ তালিকার সাক্ষী কামরুল ইসলামকে জেরা করছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী সাহিদুর রহমান। বিভিন্ন প্রশ্নের মাধ্যমে সাক্ষীর কাছ থেকে জবাব আদায় করছেন এই আইনজীবী।
 
আজ সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
 
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে রয়েছেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, তাসমিরুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিম ও মামুনুর রশিদ।
 
গত ২৭ সেপ্টেম্বর জিয়াউলের মামলায় সাক্ষ্য দেন কামরুল ইসলাম। তদন্ত চলাকালে বিভিন্ন স্থান থেকে কী কী আলামত জব্দ করা হয়েছে, তা ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন তিনি। একই দিন ১৩তম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা শেষ হয়। তিনিই এ মামলার সর্বশেষ চাক্ষুষ সাক্ষী বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। এছাড়া আগামী অক্টোবরের মধ্যে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হতে পারে বলেও আশা ব্যক্ত করেছেন তারা।
 
এ মামলায় সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমটি হলো- ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিন হত্যা।
 
দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা।
 
তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ হত্যার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। অর্থাৎ দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লিখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনের প্রাণ নেওয়া।
 
এসব হত্যাকাণ্ডের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। একই দিন সকালে ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

বাংলাদেশ ভিশন: বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সরকার, উন্নয়ন, নীতি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় রূপান্তর সম্পর্কে বাংলা ভাষার সর্বাধিক বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর এবং প্রভাবশালী জ্ঞানভান্ডার হওয়া; যা নাগরিক, নীতিনির্ধারক, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বাংলাদেশের রাষ্ট্রনীতি, শাসনব্যবস্থা, জননীতি, জাতীয় উন্নয়ন, মেগা প্রকল্প এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যুসমূহকে তথ্য-যাচাই, গবেষণা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং প্রেক্ষাপটসমৃদ্ধ সাংবাদিকতার মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে নাগরিকেরা শুধু "কি ঘটেছে" নয়, বরং "কেন ঘটেছে", "এর প্রভাব কী" এবং "এর ভবিষ্যৎ তাৎপর্য কী"—তা বুঝতে পারেন।