অস্ট্রেলিয়া সিরিজে নেই নাহিদ রানা—কতটা ক্ষতি বাংলাদেশের

Jul 26, 2026 - 18:05
 0  8
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে নেই নাহিদ রানা—কতটা ক্ষতি বাংলাদেশের

গতি ভয় দেখায়। গতি ভুল করায়। গতি উইকেট এনে দেয়। বাংলাদেশের হয়ে এখন সবচেয়ে গতিময় বলার হলেন নাহিদ রানা। যিনি বার বার উপরের কথা গুলো আমাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন ও দিচ্ছেন।

বাংলাদেশের হয়ে এই তিন কাজই নিয়মিত করে আসছেন নাহিদ রানা। অস্ট্রেলিয়া সফরেও তাঁর কাছ থেকে তেমনই কিছু প্রত্যাশা ছিল। বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সিরিজে তাঁর গতি হতে পারত বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

কিন্তু সিরিজের দুই সপ্তাহের বেশি সময় আগেই চোটে ছিটকে গেছেন এই পেসার। শনিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, পাঁজরের বাঁ পাশের চোটে ছয় থেকে আট সপ্তাহ মাঠেই নামা হবে না নাহিদের।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২৩ বছর বয়সী এই পেসারের না থাকা শুধু বাংলাদেশের জন্যই ক্ষতি নয়, বিশ্বের দ্রুততম দুই পেসারের সম্ভাব্য লড়াইও না হওয়া।

টেস্ট ক্রিকেটে গতির প্রশ্নে বছরের পর বছর ধরে আলোচনায় কিছু নামই ঘুরেফিরে এসেছে। এই যেমন অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্ক, ইংল্যান্ডের জফরা আর্চার ও মার্ক উড! এই পেসাররা বল হাতে নেওয়া মানেই গতির ঝড় তোলা।

তবে এঁদের সবার চেয়ে ধারাবাহিকভাবে জোরে বল করেন বাংলাদেশের নাহিদ রানা, দ্বিতীয় স্থানে স্টার্ক। নির্দিষ্ট কোনো ডেলিভারি নয়, গত দুই বছরের টেস্ট ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে জোরে বল করায় এ দুজনই দ্রুততম।

নাহিদ রানার টেস্ট অভিষেক ২০২৪ সালের মার্চে। এখন পর্যন্ত খেলা ১১ টেস্টে তিনি বল করেছেন গড়ে ঘণ্টায় ১৪১.৫৪ কিলোমিটার গতিতে। গতির গড়ে দ্বিতীয় সেরা স্টার্ক। অস্ট্রেলিয়ার এই বাঁহাতি পেসার গড়ে ১৪১.০৪ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করেছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

খেলাধুলা ভিশন: বাংলা ভাষায় খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, ক্রীড়া নীতি, খেলোয়াড় উন্নয়ন এবং যুব নেতৃত্ব বিষয়ে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Sports Intelligence Platform হওয়া; যা ক্রীড়াপ্রেমী, খেলোয়াড়, কোচ, গবেষক, নীতিনির্ধারক এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খেলাধুলা, ক্রীড়াবিজ্ঞান, খেলোয়াড় উন্নয়ন, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা এবং যুব নেতৃত্বকে তথ্যভিত্তিক সাংবাদিকতা, গবেষণা, বিশ্লেষণ এবং অনুপ্রেরণামূলক গল্পের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে একটি সুস্থ, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক ক্রীড়া সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।