নিজে দাঁড়িয়ে থেকে সাবেক স্ত্রীর বিয়ে দিলেন ‘স্পাইডার-ম্যান’ খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা টোবি ম্যাগুয়ার। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি ঘিরে আলোচনায় হলিউড এই অভিনেতা।
প্রাক্তন স্ত্রী জেনিফার মেয়ার নতুন জীবন শুরু করলেন ব্যবসায়ী জিয়োফ্রি ওগুনলেসির সঙ্গে। সেই বিয়ের অনুষ্ঠান পরিচালনার বিশেষ দায়িত্বে ছিলেন টোবি নিজেই। নবদম্পতির প্রথম চুম্বনের মুহূর্তেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।
গত ১০ অক্টোবর, শনিবার, হাওয়াইয়ের ‘ফোর সিজনস রিসর্ট লানাই’য়ে বসেছিল জেনিফার ও জিয়োফ্রির বিয়ের আসর। জিয়োফ্রি নাইজেরিয়ার ধনকুবের আইনজীবী ও বিনিয়োগকারী আদেবায়ো ওগুনলেসির ছেলে। টাইমস অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে টোবি ও জেনিফারের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এই বিয়ের অনুষ্ঠান হয়।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন একাধিক পরিচিত তারকা। তাদের মধ্যে ছিলেন র্যাচেল জো, কোর্টনি কক্স, লিয়োনার্দো ডিক্যাপ্রিয়ো এবং তার প্রেমিকা ভিত্তোরিয়া চেরেত্তি। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস এবং তার স্ত্রী লরেন সানচেজ বেজোসও।
২০০৭ সালে বিয়ে করেছিলেন টোবি ও জেনিফার। ২০১৬ সালের অক্টোবরে বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন তারা। এর পর ২০২০ সালে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন জেনিফার। তাদের দুই সন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পরেও প্রাক্তন স্ত্রীর বিয়েতে টোবির এই উপস্থিতি এবং বিশেষ ভূমিকা সামাজিকমাধ্যমে কৌতূহল বাড়িয়েছে।
জিয়োফ্রির সঙ্গে জেনিফারের সন্তানের জন্মের খবর প্রকাশ্যে আসার কয়েক মাস পর এই বিয়ে হল। ২১ জুন, পিতৃদিবসে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে সন্তানজন্মের খবর জানিয়েছিলেন জেনিফার।
২০২৩ সালে জেনিফার ও জিয়োফ্রির সম্পর্কের কথা প্রথম প্রকাশ্যে আসে। ওই বছরের নভেম্বর মাসে এক অনুষ্ঠানে একসঙ্গে লাল গালিচায় হাজির হয়ে সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে আনেন তারা। এর পর ২০২৪ সালের অাগস্টে ইনস্টাগ্রামে বাগ্দানের খবর ঘোষণা করেন।
টোবির এই উপস্থিতি প্রাক্তন স্ত্রীর নতুন জীবনের বিশেষ দিনে এবং নবদম্পতির প্রথম চুমুর মুহূর্তের ছবিই এখন নেটপাড়ার আলোচনার কেন্দ্রে।
বিনোদন
ভিশন: বাংলা ভাষায় চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত, ডিজিটাল মিডিয়া, সংস্কৃতি এবং সৃজনশীল অর্থনীতি সম্পর্কে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য Creative Economy & Cultural Intelligence Platform হওয়া; যা শিল্পী, নির্মাতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী এবং সংস্কৃতিমনস্ক পাঠকদের জন্য প্রধান জ্ঞানভান্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
মিশন: চলচ্চিত্র, নাটক, ওটিটি, সংগীত, শিল্পকলা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল শিল্পকে তথ্যনির্ভর সাংবাদিকতা, সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, গবেষণা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হয় এবং সৃজনশীল অর্থনীতির বিকাশে ইতিবাচক অবদান রাখা যায়।